দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, লালমনিরহাটের প্রধান অর্থকরী ফসল ভুট্টা। তাই এ জেলার অর্থনীতিতে ভুট্টার গুরুত্ব তুলে ধরতে শহরের প্রাণকেন্দ্রে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘ভুট্টা চত্বর’। এটি আইকনিক স্থাপত্যশৈলিতে সাজিয়ে লালমনিরহাটের প্রতীকে পরিণত করা হবে।

আজ শুক্রবার বিকালে লালমনিরহাট শহরে ভুট্টা চত্বরের নির্মাণকাজ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, লালমনিরহাটের ব্র্যান্ডিং ফসলে পরিণত হয়েছে ভুট্টা। গত কয়েক দশকে জেলায় এ ফসলের চাষ বেড়েছে। ভুট্টা চাষের কারণে বদলে গেছে এ অঞ্চলের কৃষকদের জীবন-জীবিকা।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ভারতের দিল্লির প্রতীক যেমন ইন্ডিয়া গেট এবং ইসলামাবাদের প্রতীক যেমন ফয়সাল মসজিদ, তেমনি ভুট্টা চত্বর লালমনিরহাটের প্রতীক হয়ে উঠবে।

জানা যায়, লালমনিরহাটে গত তিন দশকে ভুট্টা চাষ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জেলার হাতীবান্ধার আবুল কাসেম ১৯৯১ সাল থেকে ভুট্টা চাষ করছেন। ওই সময় ফলন কম হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে এ ফসল চাষে আগ্রহ ছিল না। বর্তমানে পরিস্থিতি বদলেছে। ওই এলাকার অধিকাংশ কৃষকই ভুট্টা চাষ করছেন।

ভুট্টা চাষের উপযোগী মাটি, সন্তোষজনক ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। একই সঙ্গে ভুট্টাকে ঘিরে গড়ে উঠছে ছোট ছোট কৃষিভিত্তিক শিল্প-কারখানা। সংশ্লিষ্টদের আশা, এর মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরো গতিশীল হবে।

ভুট্টা চত্বরের নির্মাণকাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হকসহ সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।