দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে বন্ধ থাকার পর ফের দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাটবীজ আমদানি শুরু হয়েছে। নতুন করে পণ্যটি আমদানিতে বন্দরের দৈনন্দিন আয় যেমন বাড়বে; তেমনি কর্মরত শ্রমিকদের আয় বাড়বে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, আজ শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে ভারত থেকে পাটবীজ বোঝাই ট্রাক দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। মোট ছয়টি ট্রাকে ১২৬ টন পাটেরবীজ আমদানি হয়েছে। আলাউদ্দিন মন্ডল নামে ভারতীয় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ও দেশের ঢাকা এবং চাপাইনবাবগঞ্জের মিম সিড ট্রেডার্স, জেডএগ্রো প্রাইভেট লিমিটেড, মঞ্জুর সিড কোম্পানি, জুয়েল সিড কোম্পানি প্রতি টন এক হাজার মার্কিন ডলার মুল্যে এসব পাটেরবীজ আমদানি করেছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, সম্প্রতি একটি উচ্চপর্যায়ের টিম এ বন্দর দিয়ে পাটবীজ আমদানির সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য বন্দর ও আমাদের সংগনিরোধ কেন্দ্র পরিদর্শনে এসেছিলেন। তারা যাওয়ার পরে মন্ত্রণালয় তাদের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পাটবীজ আমদানির অনুমতি দেয়। আজ বন্দর দিয়ে প্রথম ছয়টি ট্রাকে ১২৬ টন পাটবীজ আমদানি হয়েছে। এসব বীজ বন্দরের ওয়্যারহাউজে রয়েছে। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে জার্মিনেশন টেস্টের জন্য দেয়া হয়েছে। এখন বীজের অংকুরগম হলে আমরা রিলিজ অর্ডার দেব। তবে এর জন্য কম করে হলেও ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি।
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম নুরুল আলম খান বলেন, উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র কর্তৃক পরীক্ষা শেষে সনদ পাওয়া স্বাপেক্ষে বীজের পরীক্ষণ শুল্কায়ন শেষ করতে হবে। তার পরিপ্রেক্ষিতে এসব পাটবীজ বন্দর থেকে ছাড়করণ করা হবে। পাটবীজ আমদানি পর্যায়ে কোনো শুল্ক না থাকায় শুল্কমুক্ত হিসেবে এ বন্দর দিয়ে আমদানি হবে। এসব বীজ আমদানিতে কোনো শর্তারোপ করা নেই; তাই অন্যান্য বীজ যেভাবে বন্দরে আমদানির পর ছাড়করণ করা হয়, একইভাবে পাটবীজও ছাড়করণ করা হবে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধের পর ফের পাটবীজ আমদানি শুরু হওয়ায় বন্দরের দৈনন্দিন আয় বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সেভাবেই বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদেরও আয় বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
১৪ বছর পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাটবীজ আমদানি
দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে বন্ধ থাকার পর ফের দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাটবীজ আমদানি শুরু হয়েছে। নতুন করে পণ্যটি আমদানিতে বন্দরের দৈনন্দিন আয় যেমন বাড়বে; তেমনি কর্মরত শ্রমিকদের আয় বাড়বে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।










