বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় অধিক মুনাফার আশায় খোলা সার প্যাকেটজাত করার অপরাধে বিএডিসির ডিলার আব্দুস সালাম ওরফে সুমনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার রাতে কচুয়া উপজেলার বিশখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিনাত মহল এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ট্রলারে থাকা ৯০ বস্তা সার ও খোলা ২ হাজার ৬০০ কেজি সার জব্দ করা হয়।
অর্থ দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুস সালাম সুমন বিএডিসির নিবন্ধিত ইউনিয়ন সারের ডিলার। সুমন দীর্ঘদিন মোংলাবন্দর থেকে খোলা সার এনে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করতেন। বুধবার সন্ধ্যায় বিশখালী নদীসংলগ্ন গোরা খালের মধ্যে ট্রলার রেখে খোলা সার প্যাকেটজাত (বস্তা) করছিলেন সুমনের নিয়োজিত শ্রমিকরা। বিষয়টি দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে খবর দেয় স্থানীয়রা।
পরবর্তী সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে এলে অপরাধ স্বীকার করেন বিএডিসি ডিলার আবদুস সালাম সুমন।
কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিনাত মহল বলেন, ডিলার আব্দুস সালাম সুমন খোলা সার এনে অধিক মুনাফার উদ্দেশ্যে প্যাকেটজাত করছিলেন। এ অপরাধে সুমনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বস্তাভর্তি খোলা সার ও ট্রলারে রাখা ২৬০০ কেজি খোলা সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত সার স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান কবিরের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
নির্বাহী কর্মকর্তা আরো বলেন, জব্দকৃত স্যারের স্যাম্পল পরীক্ষার জন্য বিএডিসিতে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট পেলে স্যারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।










