বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের ১১১ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক হঠাৎ করেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত রোববার ৯৫ জন এবং সোমবার ১৬ জন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালে ভর্তি হন। অবশ্য কোন কিছু না জানিয়েই এরই মধ্যে ভর্তির খাতা থেকে তাদের নাম কেটেও দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এরই মধ্যে শেবাচিমের চার ইন্টার্ন চিকিৎসক করোনা পজিটিভ রয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শেবাচিম হাসপাতালের চার ইন্টার্ন চিকিৎসকের করোনা পজিটিভ আসার পর হোস্টেল লকডাউন করে দেয় কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদের মধ্যে তিনজনকেই হোস্টেলে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পরে তাদের সংস্পর্ষে আসা ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নমুনা পরীক্ষা করা হলে তা নেগেটিভ আসে। অথচ এই ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তারা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর হোস্টেলেই অবস্থান করছিলেন। পরে মঙ্গলবার তাদের নাম ভর্তির খাতা থেকে কেটে দেওয়া হয়। 

জানা গেছে, হোস্টেল লকডাউন করার কারণে হোস্টেলে রান্না বন্ধ হয়ে যায়। এতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সমস্যার মধ্যে পড়েন। তাই হাসপাতালে ভর্তি করে সেখান থেকে তাদের খাবার দেয়া হয়।

এই বিষয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, আমরা তাদের কোয়ারেন্টিনে রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা সেখানে কমফোর্টেবল ফিল না করায় হোস্টেলেই অবস্থান করছেন। পরে ভর্তির খাতা থেকে তাদের নামও কেটে দেয়া হয়েছে।

বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এসএম অজিয়র রহমান বলেন, করোনা উপসর্গ বা করোনায় আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি প্রয়োজন নেই। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভর্তির বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।