শিক্ষামন্ত্রী
ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে। তবে বাংলাদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ অনেক
কিছুরই ভিত রচনা করে দিয়ে গেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। স্বাধীন হওয়ার পর তিন বছর
সাত মাস সময়ে তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তৈরি করে দেন।’
গতকাল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মসূচির শুরুতে শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে প্রধান ফটকে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শেখ রাসেল জিমনেসিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তৈরি করে দেন। সংবিধানে চার মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এর কোনোটিই বিদেশ থেকে ধার করা নীতি ছিল না। সবই ছিল বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, এই মাটি ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে তৈরি করা। বঙ্গবন্ধু পুঁজিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে যে বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন, তা যদি আজ বাস্তবায়ন হতো তাহলে বাংলাদেশ তথা বিশ্বের চেহারা বদলে যেত। কিন্তু পাকিস্তানি ও তাদের দোসররা তা মেনে নিতে পারেনি, যার কারণে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারকে হত্যা করা হয়।’
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য যারা কুম্ভিরাশ্রু বিসর্জন দিচ্ছে, নিজে যারা আজ মানবাধিকারের কথা বলছে, যারা আজ গণতন্ত্রের কথা বলছে তারাই গণতন্ত্র হত্যাকারী, তারাই মানবাধিকারের সর্বোচ্চ লংঘনকারী। আমরা কি তাদের মায়া কান্নায় ভুলব? না দেশ যে এগিয়ে চলেছে, তা অব্যাহত রাখব। আমরা কী একদিনে ১০০ সড়ক উদ্বোধন চাই? একদিনে ১০০ সেতু উদ্বোধন চাই? না ৫০০ বোমা চাই? সিদ্ধান্ত আমাদের নিতে হবে। আমি আশা করি, আমরা সবাই ভাবব, চিন্তা করব এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেব। আমরা নিশ্চয় উন্নয়নের পথে হাঁটব, মানবাধিকারের পথে হাঁটব, স্বাধীনতার পক্ষে হাঁটব এবং নিশ্চয় নৌকার পক্ষে রায় দেব।’










