আজ কাতারে শুরু হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২। এ আসরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) তো থাকছেই, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন প্রযুক্তি, যা অফ সাইডের দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন বছর ধরে এ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফিফার রেফারি প্রধান পিয়েরলুইগি কোলিনা। কোলিনা একটি সময় ছিলেন খ্যাতিমান রেফারি। তিনি ২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনা করেন। খবর স্ট্রেইট টাইমস।
ভিএআরের নতুন প্রযুক্তি নিয়ে এ ইতালিয়ান বলেন, ‘স্বয়ংক্রিয় অফ সাইড প্রযুক্তি’ আগের সিস্টেমের চেয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাবে। থ্রিডি অ্যানিমেশনের মাধ্যমে এ প্রযুক্তির ফল দর্শকরা স্টেডিয়াম ও টিভিতে দেখতে পারবে।
কোলিনা আরো বলেন, অফ সাইডের ব্যাপারে এ প্রযুক্তি আমাদের আরো দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা দেখিয়েছে। এখানে একটু পরিষ্কার করে বলা দরকার, দ্রুত হওয়া মানে এই নয় যে অফ সাইডের তাত্ক্ষণিক মূল্যায়ন আমরা দেব। কিন্তু আগের চেয়ে উত্তর দিতে এখন কম সময় লাগবে। আমরা তো আর এক সেকেন্ডে সিদ্ধান্ত জানাতে বা লাইভে দেখাতে পারি না। আরেকটি বিষয়, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ভিএআর নয়, রেফারিই জানাবেন।
এবার বিশ্বকাপে প্রতিটি স্টেডিয়ামে ১২টি করে ক্যামেরা থাকবে। ক্যামেরাগুলো খেলোয়াড়দের শরীরে ২৯টি পয়েন্টে ট্র্যাক করবে এবং ম্যাচ বলের ভেতরে একটি সেন্সর ভিএআর অপারেশন রুমে সেকেন্ডে ৫০০ বার ডাটা পাঠাবে। বল কোথায় গড়াচ্ছে তার নিখুঁত মূল্যায়ন তুলে ধরা যাবে।
নতুন এ প্রযুক্তি এরই মধ্যে ফিফার দুটি টুর্নামেন্টে ও একটি টেস্ট ম্যাচে এবং এবারের বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামগুলোতে পরীক্ষা করা হয়েছে।
ফিফার প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের পরিচালক জোহানেস হোলজমুলার বলেন, আমরা এ প্রযুক্তির তথ্য বিশ্লেষণ করেছি এবং ফলাফল খুবই ইতিবাচক ছিল। এ মুহূর্তে সবচেয়ে সঠিক অফ সাইড বার্তা দেবে এ প্রযুক্তি। আগের অফ সাইড প্রযুক্তিও কাতার বিশ্বকাপে থাকবে, তবে তা শুধু ব্যাকআপ হিসেবে।










