দারিদ্র্য বিমোচন, তৃণমূলের নারীর ক্ষমতায়ন এবং বিশেষ কর্মদক্ষতা ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৪০ জন স্বাবলম্বী সদস্য ও ৪০ জন শ্রেষ্ঠ কর্মীকে মর্যাদাপূর্ণ গ্রামীণ ব্যাংক বোদওয়াঁ পুরস্কার দেয়া হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নোবেল জয়ের ২০ বছর উদযাপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার (৪ অক্টোবর) এ পুরস্কার দেয়া হয়। দেশজুড়ে ব্যাংকের সকল জোনাল কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জোনাল ম্যানেজাররা নিজ নিজ জোনে বিজয়ী সদস্যদের হাতে ক্রেস্ট, সম্মাননা সনদপত্র এবং নগদ অর্থ তুলে দেন ।
মাঠপর্যায়ের কাজের স্বচ্ছতা ও উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে নতুন সদস্য সংগ্রহ, ঋণ আদায়ের শতভাগ হার, ঋণ প্রসার, আমানত বৃদ্ধি, কেন্দ্র ঘর পরিচালনা, ঋণের ব্যবহার, ষোল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নসহ নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট কর্মমূল্যায়ন সূচকের ভিত্তিতে এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্তদের নির্বাচন করা হয়েছে ।
পুরস্কার বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরদার আকতার হামিদ বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের সহকর্মী ও সদস্যদের অদম্য কর্মস্পৃহা, অনন্য দক্ষতা এবং অনবদ্য অর্জন প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিকে সমৃদ্ধ করছে। এ বিশেষ সম্মাননা তাদের কর্মদক্ষতাকে আরও উন্নত করবে, যা আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ও সামাজিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দারিদ্র্য নিরসনে টেকসই ভূমিকা রাখবে।
আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯২ সালে গ্রামীণ ব্যাংককে সম্মানজনক রাজা বোদওয়াঁ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। ১৯৯৩ সালে ব্রাসেলসে ব্যাংকের প্রতিনিধিদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। প্রাপ্ত পুরস্কারের অর্থ দিয়ে ১৯৯৪ সালে গঠিত স্থায়ী তহবিলের আয় থেকে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে প্রতিটি জোন থেকে ১ জন শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিটি এরিয়া থেকে একজন স্বাবলম্বী সদস্যকে গ্রামীণ ব্যাংক বোদওয়াঁ পুরস্কার দেয়া হচ্ছে হচ্ছে।










