গতকাল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে ওই নয় মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

নিহত কর্মীদের মধ্যে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার সাতজন, নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার একজন এবং রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার একজন কর্মী রয়েছেন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

মরদেহ গ্রহণের পর প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিমানবন্দরে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে ব্রিফিংয়ে কথা বলেন। আরিফুল হক চৌধুরী জানান, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বাকি সাতজন নিহত কর্মীর ফিঙ্গার প্রিন্ট পরীক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায় সিআইডির তত্ত্বাবধানে স্বজনদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহত নয় কর্মীর প্রতি পরিবারের জন্য মরদেহ পরিবহন ও দাফন খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা এবং এককালীন আর্থিক অনুদান বাবদ ৩ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া এ হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক ঘটনার বিবেচনায় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে মরদেহগুলো সরাসরি নিহতদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’