বাগেরহাটের রামপালে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ফিরোজ ঢালী (৪৫) নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। গতকাল বেলা ১১টার দিকে রামপাল উপজেলার কাদিরখোলা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত ফিরোজ ঢালী রামপাল উপজেলার কাস্টোবাড়িয়া এলাকার মৃত আশ্বাদ আলীর ছেলে। আহতরা হলেন কাদিরখোলা এলাকার আওরঙ্গজেব (৪২), হানিফ (৩৮) ও আকরাম ঢালী (৪৭)। নিহত ও আহতরা সবাই রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রামপাল সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হাসান জামুর অনুসারী।

রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রামপাল সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জামিল হাসান জামু বলেন, গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমাকে (জামু) বাড়ির গেটে নামিয়ে দিয়ে ফিরোজ ঢালীসহ চারজন দুটি মোটরসাইকেলযোগে কাদিরখোলা এলাকায় নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। কিছুদূর যাওয়ার পর বেলাল ব্যাপারী, বেলালের ভাই বাকি ডাকাতসহ ৩০-৪০ জন ফিরোজদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে হামলা চালায়। এতে তারা জ্ঞান হারালে হামলাকারীরা রাস্তার ওপর ফেলে দিয়ে চলে যায়। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রামপাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ফিরোজ ও হানিফকে পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে ফিরোজ ঢালী মারা যায়। বাকিরা রামপালে চিকিৎসাধীন।

অভিযুক্ত বেলাল ব্যাপারী বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যাওয়ার অপরাধে জামুর লোকরা আমাদের ওপর হামলা করেছে। সেই জেরে আমার লোকেরা ফিরোজের ওপর হামলা করে। তবে মারা গেছে কিনা আমি জানি না।

রামপাল থানার ওসি মো. শামসুদ্দিন জানান, স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয়জনকে আটক করেছি।