২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ১০ লাখ ১০ হাজার টন চিনির ঘাটতি দেখা দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে টানা তিন বছরের উদ্বৃত্তের ইতি ঘটতে যাচ্ছে। বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান গ্রিন পুল সম্প্রতি এ আশঙ্কার কথা জানায়।
উৎপাদন মৌসুম নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির করা প্রাথমিক পূর্বাভাসে বলা হয়, এ মৌসুমে চিনির বৈশ্বিক উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে ভারত, পাকিস্তান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে চিনি উৎপাদন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে এ বছর ভোগ্যপণ্যটির ব্যবহার বাড়বে। যদিও প্রবৃদ্ধির গতি থাকবে গত মৌসুমের চেয়ে কম।
অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি জানায়, চিনির বৈশ্বিক উৎপাদন কিছুটা কমে ১৯ কোটি ২৮ লাখ টনে নামতে পারে। এর আগের মৌসুমে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৯ কোটি ৩২ লাখ টন।
ভারতে উৎপাদন ব্যাপক কমার আশঙ্কা রয়েছে। গ্রিন পুলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ কোটি ৪৫ লাখ টন, যা এর আগের মৌসুমের চেয়ে ২৩ লাখ টন কম।
এদিকে ভারতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় যে ঘাটতি তৈরি হতে পারে তা আংশিকভাবে পুষিয়ে দেবে ব্রাজিল। গত মৌসুমে দেশটির মধ্য-দক্ষিণ অঞ্চলে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টন চিনি উৎপাদন হয়েছিল। এ মৌসুমে তা বেড়ে ৩ কোটি ৫৮ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে।
গ্রিন পুলের হিসাব অনুযায়ী, ২০২২-২৩ মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ১৯ কোটি ২৮ লাখ টন চিনি ব্যবহার হতে পারে। গত মৌসুমের চেয়ে ব্যবহার বাড়বে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ। যদিও ২০২১-২২ মৌসুমে ব্যবহার প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ।










