ফিউচার মার্কেটে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম শুক্রবার বেড়েছে। বিশ্ববাজারে অন্যান্য ভোজ্যতেলের দাম বাড়ায় পণ্যটির দামে ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা গেছে। এদিকে ব্যবসায়ীরা ইন্দোনেশিয়া ও  ভারতের রফতানি-আমদানি শুল্ক সম্পর্কিত খবরের অপেক্ষায় রয়েছেন। খবর রয়টার্স। 

বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে পাম অয়েলের দাম ৫০ রিঙ্গিত বা ১ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি টনের মূল্য পৌঁছেছে ৩ হাজার ৯৯০ রিঙ্গিতে (৯২৫ ডলার ৭৫ সেন্ট)। এ চুক্তিতে পণ্যটির দাম চলতি সপ্তাহে আগের সপ্তাহের তুলনায় ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ ও মাস ভিত্তিতে ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে।

এ বিষয়ে সেলাঙ্গরভিত্তিক ব্রোকারেজ পেলিনডুং বেস্টারির পরিচালক লিঙ্গাম সুপ্রামানিয়াম বলেন, ‘পাম অয়েলের বাজার শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) সয়াবিন তেল ও ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (ডিসিই) অন্যান্য ভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে।’

ডিসিইতে শুক্রবার সয়াবিন তেলের দাম আগের দিনের তুলনায় ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়েছে।  পাম অয়েলের দাম বেড়েছে আগের দিনের তুলনায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে  সিবিওটিতে সয়াবিন তেলের দাম আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। 

বিশ্বে শীর্ষ ভোজ্যতেল আমদানিকারক দেশ ভারত। দেশটি সম্প্রতি ভোজ্যতেলের আমদানি কর বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এটি বাড়ালে বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে পাম অয়েল আমদানি কমিয়ে দিতে পারেন ব্যবসায়ীরা। এতে অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদিত পাম অয়েলের চাহিদা বাড়বে। ফলে লাভবান হবেন দেশটির  কৃষক। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে কমে যেতে পারে পণ্যটির চাহিদা।

এদিকে পাম অয়েলের রেফারেন্স মূল্যবৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে ইন্দোনেশিয়া।