সরবরাহ সংকটে কফির বাজারে দাম চড়া যাচ্ছিল বেশ কয়েক মাস ধরেই। তবে চলতি সপ্তাহে ভিয়েতনামি কফির দাম কমেছে। লন্ডনের বাজারেও দাম কমেছে এ পণ্যের। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
ইন্দোনেশিয়ায় ভিন্ন চিত্রের কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি সেখানে কফি বিন সরবরাহের স্বল্পতায় দাম বাড়ার কথা বলেছেন তারা। ভিয়েতনামের বৃহত্তম কফি উৎপাদনকারী এলাকা মধ্য উচ্চভূমির কৃষকরা কেজিপ্রতি ৬৪ হাজার ৭০০ থেকে ৬৫ হাজার ৩০০ ডং (২ ডলার ৭৩ সেন্ট থেকে ২ ডলার ৭৫ সেন্ট) দরে কফি বিন বিক্রি করেছেন, যা এক সপ্তাহ আগে কেজিতে ৬৫ হাজার ৪০০ থেকে ৬৬ হাজার ৯০০ ডং থেকে কম। সেপ্টেম্বরের রোবাস্তা কফি সপ্তাহে ১০৪ ডলার কমবে। চলতি সপ্তাহে সর্বশেষ দর ২ হাজার ৫১২ ডলারে থেমেছে।
কফি বেল্টের একজন ব্যবসায়ী জানান, অনেকে কম দামের জন্য নভেম্বর ও জানুয়ারিতে চুক্তির পরিকল্পনা করছে। কেউ ব্রাজিলিয়ান কফি সরবরাহের জন্য অপেক্ষা করছেন। কেননা ব্রাজিলিয়ান রোবাস্তার ইতিবাচক খবর দাম কমাতে সাহায্য করেছে।
সরকারি তথ্য বলছে, ভিয়েতনাম থেকে কফি রফতানি ২০২৩ সালের প্রথমার্ধে ২ দশমিক ২ শতাংশ কমবে, যা গত বছর থেকে ১০ লাখ ২০ হাজার টন কম বা ১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ কেজি (১৩০ পাউন্ড) ব্যাগ সমপরিমাণ কম। তা সত্ত্বেও ভিয়েতনামে জানুয়ারি-জুন মৌসুমে কফি রফতানি আয় ৩ শতাংশ বেড়ে ২৪০ কোটি ডলার হয়েছে।
ব্যবসা খুব বেশি অশান্ত ছিল না জানিয়ে একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘আজকে দর ৫০-১৫০ পয়েন্টের মধ্যে ছিল। সামান্য বাড়ার কারণ হচ্ছে বিনের জোগান স্বল্পতা।’ অন্য এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগস্টের জন্য ৩৬৫-৩৭৫ ডলার চুক্তিতে প্রিমিয়াম নেমেছে, যা দুই সপ্তাহ আগে ৩৭৫ ডলার প্রিমিয়ামের তুলনায় কম।’










