ভারতীয় চালের রফতানি মূল্য বেড়ে নয় মাসের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। দেশটির মুদ্রা রুপির বিনিময় মূল্য বৃদ্ধি এবং সীমিত সরবরাহ দাম বাড়াতে সহায়তা করেছে। অন্যদিকে শক্তিশালী মুদ্রা ও চাহিদার প্রভাবে বেড়েছে থাই চালের বাজারদরও। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

বিশ্বের শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ ভারত। চলতি সপ্তাহে দেশটির ৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চাল রফতানি হচ্ছে টনপ্রতি ৩৮৭-৩৯৫ ডলারে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩৭৫-৩৮২ ডলার। এছাড়া দেশটি সাদা চাল রফতানি করছে টনপ্রতি ৪৩৫-৪৪০ ডলার মূল্যে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩৯৮-৪০৫ ডলার।

চলতি সপ্তাহে ভারতীয় রুপির দাম বেড়ে এক মাসের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। ফলে রফতানিকারকরা বিদেশের বাজারে বিক্রি কমিয়ে দিয়েছেন। স্থানীয় বাজারে দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠায় চাহিদাও কমেছে। রফতানি প্রতিষ্ঠান সত্যম বালাজির নির্বাহী পরিচালক হিমাংশু আগারওয়াল বলেন, সরকার বিনামূল্যে খাদ্যশস্য বিতরণ কমিয়ে দিলে স্থানীয় বাজারে শস্যটির দাম বেড়ে যায়।

চলতি সপ্তাহে থাইল্যান্ড ৫ শতাংশ ভাঙা চাল টনপ্রতি ৫০০-৫০২ ডলারে রফতানি করছে, যা ২০২১ সালের মার্চের পর সর্বোচ্চ। গত সপ্তাহে দেশটি একই চাল রফতানি করেছিল ৪৯৫ ডলারে। স্থানীয় বাজারে ঊর্ধ্বমুখী এবং দেশটির মুদ্রা বাথের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে।

ব্যাংককভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেন, বাথের দাম বেড়ে যাওয়া মানে ডলার মূল্যে থাই চালের দাম বেড়ে যাওয়া। মুদ্রার এমন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় অনেক চাল ব্যবসায়ী ও ক্রেতা বর্তমানে বাণিজ্যের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।