সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও বিচ হ্যাচারি লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক বেড়েছে। এর পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি দুটি। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ: বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১০৩ টাকা ৪০ পয়সা। এর পর থেকে কোম্পানিটির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৪৭ টাকা ২০ পয়সায়।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকেও একই ছিল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১১ টাকা ৮৬ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১১ টাকা ৮৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ।
বিচ হ্যাচারি: বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৪৫ টাকা ১০ পয়সা। এর পর থেকে কোম্পানিটির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ২০ পয়সায়।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩১ পয়সায়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছে ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২২ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২০২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে বাকি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করে বিচ হ্যাচারির পরিচালনা পর্ষদ।










