আগামী বিপণন মৌসুমে তুরস্কের তেলবীজ উৎপাদন পুনরুদ্ধার হতে পারে। ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে বপন এলাকা বাড়ায় এমনটা দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারের (ইউএসডিএ) বৈদেশিক কৃষি পরিষেবা বিভাগের বৈশ্বিক কৃষি তথ্য নেটওয়ার্কের এক প্রতিবেদনে এমনটা দেখা যায়।
ইউএসডিএ এক পূর্বাভাসে জানায়, ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে তুরস্কের সূর্যমুখী ও সয়াবিনবীজ উৎপাদন বার্ষিক ভিত্তিকে বাড়বে। এ সময় সূর্যমুখীবীজ ১৭ লাখ ৫০ হাজার টন থেকে বেড়ে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টন ও সয়াবিনবীজ ১ লাখ ২৫ হাজার টন থেকে বেড়ে ১ লাখ ৪০ হাজার টন দাঁড়াবে। উৎপাদন বৃদ্ধি সত্ত্বেও তুরস্কের তেলবীজ ও অয়েলমিল আমদানি কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানায় ইউএসডিএ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তুরস্কের অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ায় অয়েলমিল ও তেলের ব্যবহার বার্ষিক ভিত্তিতে বাড়বে। অন্যদিকে মুল্যস্ফীতি মোকাবেলায় সূর্যমুখী তেলের ওপর থেকে আমদানি শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর প্রত্যাহার করে নিয়েছে তুরস্ক।
২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে তুরস্কের মোট তেলবীজ উৎপাদনের পরিমাণ আগের বিপণন মৌসুমের তুলনায় ৮ শতাংশ বাড়বে। এ সময় দেশটির মোট তেলবীজ উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৩৪ লাখ টন। অন্যান্য শস্যের তুলনায় তেলবীজে বেশি মুনাফা লাভের আশায় কৃষকরা এবার আগের তুলনায় বেশি হারে তেলবীজ বপন করেছেন, ফলে উৎপাদনও আশানুরূপভাবে বাড়বে বলে মনে করছে ইউএসডিএ।










