ভারতে ইস্পাতের চাহিদা বছরে ৭ শতাংশ হারে বাড়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ২০৩০ সাল নাগাদ দেশটিতে ইস্পাতের চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৯ কোটি টনে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দিয়েছে স্টিলমিন্ট ইন্ডিয়া। নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতে চাহিদা বৃদ্ধি এক্ষেত্রে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করবে। বর্তমানে ভারতে ইস্পাতের মোট চাহিদার ৬০-৬৫ শতাংশই ব্যবহার হয় নির্মাণ খাতে। খবর পিটিআই।
‘ইন্ডিয়াস স্টিল অ্যান্ড কোকিং কোল ডিমান্ড ২০৩০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বাজার গবেষণা সংস্থাটি বলছে, বছরে ৭ শতাংশ হারে বেড়ে ২০৩০ সালের মধ্যে চাহিদা ১৯ কোটি টনে পৌঁছতে পারে। আর সর্বোচ্চ সম্ভাবনা হিসেবে চাহিদার পরিমাণ ২৩ কোটি টনেও উঠতে পারে।
চাহিদা প্রবৃদ্ধিতে গাড়ি ও ইঞ্জিনিয়ারিংসহ জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ বৃদ্ধি ও নানামুখী সরকারি উদ্যোগ বড় ভূমিকা রাখবে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ ধাতুটির চাহিদার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১২ কোটি টনে। আর উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৩ কোটি ৬০ লাখ টনে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালে ভারতের অপরিশোধিত ইস্পাতের প্রত্যাশিত উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২১ কোটি টনে, যা ২০২৩ সালের উৎপাদনের তুলনায় ৪৫ শতাংশ বেশি।
স্টিলমিন্ট ইন্ডিয়া বলছে, উৎপাদন বাড়লে ভারতে ইস্পাত উৎপাদনে কাঁচামালের চাহিদাও বাড়বে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রত্যাশিত ১৪ কোটি টন ইস্পাত তৈরিতে ১১ কোটি ৬০ লাখ টন ধাতব কয়লার প্রয়োজন পড়বে দেশটিতে। এ সময়ে ভারত সমুদ্রপথে বৃহত্তম কয়লা আমদানিকারকে পরিণত হবে। একই সঙ্গে ২০৩০ সালে দেশটির ৩৫ কোটি টন আকরিক লোহা আমদানির প্রয়োজন পড়বে।
২০৩০ সাল ভারতের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ বছরের মধ্যে দেশটির সরকার ভারতে ইস্পাত তৈরির সক্ষমতা ৩০ কোটি টনে উন্নীত করার এক উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।










