যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রফতানি বাড়তে শুরু করেছে। মূলত কৃষ্ণ সাগরীয় বন্দর দিয়ে দেশটির রফতানি পুনরায় চালু হওয়ায় রফতানিতে ঊর্ধ্বমুখিতা লক্ষ করা গিয়েছে। ইউক্রেনের উপকৃষিমন্ত্রী তারাস ভিসোতস্কি সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছেন।
সম্প্রতি এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আগস্টে ইউক্রেনের খাদ্যশস্য তেলবীজ রফতানি বেড়ে ৪৫ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। এর আগের মাসে দেশটি ৩০ লাখ টন রফতানি করেছিল।
আগস্টে মোট রফতানীকৃত খাদ্যশস্য ও তেলবীজের মধ্যে ৩০ লাখ টনই জাহাজীকরণ করা হয়েছে দানিয়ুব নদী ও কৃষ্ণ সাগরীয় সমুদ্রবন্দর দিয়ে। বাকি ১০ লাখ টন রেলপথে এবং ছয় লাখ টন সড়কপথে ট্রাকের মাধ্যমে রফতানি করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর দেশটির কৃষ্ণ সাগরীয় সমুদ্রবন্দর অবরোধ করে ফেলা হয়। ফলে সমুদ্রপথে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শস্য রফতানিকারক দেশটির সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে দেখা দেয় খাদ্যশস্য ও তেলবীজের তীব্র সংকট। ইউক্রেন পশ্চিম সীমান্ত ব্যবহার করে স্থলপথে রফতানি করতে বাধ্য হয়। যুদ্ধের আগে দেশটি প্রতি মাসে ৫০-৬০ লাখ টন শস্য রফতানি করলেও যুদ্ধের পর তা কমে ১০ লাখ টনে নেমে আসে।
পরিস্থিতি অনেক বেশি নেতিবাচক দিকে মোড় নিলে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইউক্রেনের সঙ্গে একটি চুক্তি করে রাশিয়া। এর আওতায় ইউক্রেনের কৃষ্ণ সাগরীয় বন্দর থেকে অবরোধ উঠিয়ে নেয়া হয়। এতে রফতানি আগের অবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনা দেখছে ইউক্রেন। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে দেশটির সরকার জানিয়েছে, চলতি মাসে খাদ্যশস্য রফতানি ৫০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে।










