ফরিদপুরের রাজ্জাক জুট ইন্ডাস্ট্রিজ বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে যায়, এতে বেকার হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। তবে কারখানাটি সম্প্রতি নতুনভাবে চালু করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। এখন পাটকলটিতে উৎপাদিত পণ্য রফতানি হচ্ছে।

শুধু রাজ্জাক জুট ইন্ডাস্ট্রিজ নয়, আরো বেশ কয়েকটি বন্ধ পাটকল চালু করছে আবুল খায়ের গ্রুপ। সেগুলো হলো— ফরিদপুরের দাহমাশী জুট ইন্ডাস্ট্রিজ, জুট ফাইবার্স এবং কুস্টিয়া জুট ইন্ডাস্ট্রিজ।

পাটকলগুলো থেকে বছরে ৮০ হাজার টন পাটের সুতা ও পাটজাত পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে আবুল খায়ের গ্রুপ। তুরস্ক ও চীনসহ অন্যান্য দেশে এ পাটপণ্য রফতানি হয়। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে মধ্যে ১২০ কোটি ডলার বা ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার পাটের সুতা রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে তারা।

আবুল খায়ের গ্রুপের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড লিগাল শেখ শাবাব আহমেদ বলেন, পাটপণ্যের ব্যবসা মূলধন নিবিড়। দেশের বেসরকারি খাতে অনেক পাটকল বর্তমানে বন্ধ। সে কারণে আমরা নতুন কারখানা না করে বন্ধ কারখানার সঙ্গে কাজ করেছি। সম্প্রতি পাট ব্যবসায় নামার অংশ হিসেবে বেসরকারি খাতের চারটি বন্ধ পাটকল চালু করেছি। এতে চার কারখানায় ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়।

বন্ধ সরকারি ৩-৪টি পাটকল নেয়ার আবেদনও করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ‘ভবিষ্যতে উচ্চ মূল্যের (ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য) পাটপণ্য উৎপাদনের জন্য আমরা চেষ্টা করছি।’

শাবাব আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের পাটের মান উন্নত। পরিবেশবান্ধব পণ্যটির বাজার আছে। সে জন্য আমরা পাটপণ্যে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এতে পরোক্ষভাবে হলেও পাটচাষীদের ভাগ্য উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।