চলতি বছরের প্রথম চার মাসে শ্রীলংকার চা রফতানি খাতে আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ৮ হাজার ১০০ কোটি শ্রীলংকান রুপিতে দাঁড়িয়েছে। জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এর গ্রহণযোগ্যতার স্বীকৃতিস্বরূপ রফতানিতে এ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বলে জানায় দেশটির প্রশাসন। দেশটির অর্থ ও পুঁজিবাজার এবং রাজ্য উদ্যোগ সংস্কারবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অজিত নিভার্দ ক্যাভরাল এমনটা জানান। খবর কলম্বোপেজ ডটকম।

বৃহস্পতিবার লংকান গণমাধ্যম ডাইনামিনাকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে অজিত নিভার্দ জানান, ২০১৯ সালের প্রথম চার মাসের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে চা রফতানি খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ বেড়েছে ১ হাজার ৭০০ কোটি রুপি।

তিনি জানান, অভ্যন্তরীণ চাহিদা ব্যতিরেকেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জৈব সার প্রয়োগে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা অনেকটা তুঙ্গে। ভোক্তারা রাসায়নিক সারের বিপরীতে জৈব সার দিয়ে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের প্রতি ঝুঁকছেন।

জানা যায় চা রফতানিকারকরা এ ব্যাপারে অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী রয়েছেন যে সিলন চায়ের যে খ্যাতি রয়েছে তা যদি জৈব সারের মাধ্যমে উৎপাদন করা যায়, তাহলে তার জনপ্রিয়তা আরো বাড়বে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক চায়ের বাজারে তা বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ দামে বিক্রয় করা যাবে।

অজিত নিভার্দ জানান, কয়েক মাস ধরে রফতানীকৃত লংকান চা পাতা প্রতি কেজিতে ৮৩ রুপি বেশি মূল্যে বিক্রয় করা হচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি সিলন চায়ের মূল্য সর্বোচ্চ ৪ ডলার ৮২ সেন্ট নির্ধারণ করার ফলে ভবিষ্যতে জৈব সারের প্রয়োগকে আরো সম্ভাবনাময় করে তোলে।