ক্রমাগত বাড়ছে ভারতের কয়লা উত্তোলন। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটিতে কয়লা উত্তোলন ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ২২ কোটি ২৯ লাখ ৩০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২০ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টন। খবর হিন্দুস্তান বিজনেস লাইন।
বছরওয়ারি হিসেবে সরকারি কোল ইন্ডিয়ার প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে উত্তোলন হয়েছে ১৭ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টন। কয়লা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এক বছর আগে যা ছিল ১৫ কোটি ৯৬ লাখ ৩০ হাজার টন।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকা খনি ও অন্যান্য বিষয়ে বছরওয়ারি হিসেবে এ খাতে প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ আর উত্তোলন দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার টনে, আগের বছরের প্রথম প্রান্তিকে যা ছিল ২ কোটি ৯১ লাখ টন। এসবই এ খাতের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে অনেক বেশি ভূমিকা রেখেছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে কয়লা সরবরাহ প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ২৩ কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সংখ্যাটা ছিল ২২ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার। এ সময়ে কোল ইন্ডিয়ার উত্তোলন হয়েছে ১৮ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার টন। এ সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৩২ শতাংশ।
একই সময়ে সিঙ্গারেনি কোলিয়ারিজ কোম্পানির (এসসিসিএল) অধিগ্রহণ করা এবং অন্যান্য কয়লার পরিমাণ রেকর্ড বেড়ে যথাক্রমে ১ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার ও ৩ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। বছরওয়ারি হিসেবে এসসিসিএলের প্রবৃদ্ধি ও অধিগ্রহণকৃত বা অন্যান্য প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৪ দশমিক ৪৫ ও ১৮ দশমিক ১৬ শতাংশে।
এ কারণে কয়লার মজুদেও বেশ ভালো অবস্থা তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালের ৩০ জুন মোট কয়লার মজুদ দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার টনে। এক বছর আগে সংখ্যাটা ছিল ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টন। এভাবে প্রবৃদ্ধি ইঙ্গিত দেয় যে কয়লার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
চাহিদা পূরণে ভারতের অধ্যবসায় ও কয়লা উত্তোলন অব্যাহত রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের টেকসই প্রচেষ্টা দেখে মনে হচ্ছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। এমন ইতিবাচক অগ্রগতির কারণে দেশটি খুব ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে এবং দেশের জ্বালানি খাতকে ইতিবাচক ধারায় নিয়ে গেছে। ফলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি আত্মনির্ভর ভারতের পথে আরেক ধাপ এগোনো যাবে বলে মন্তব্য করেছে মন্ত্রণালয়।










