মিসরের বার্ষিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, যা ধারণা করা হয়েছিল তার চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে মে মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে। খাদ্য ও পানীয়ের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। খবর দ্য ন্যাশনাল।

এপ্রিলে মিসরের মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ৩০ দশমিক ৭ শতাংশ। মে মাসে তা বেড়ে ৩২ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এক্ষেত্রে খাদ্য ও পানীয় পণ্যের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। এ দুই ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির পরিমাণ ৬০ শতাংশ।

রয়টার্সের অর্থনীতিবিদরা মে মাসে ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস দিয়েছিল। কিন্তু প্রকৃত মূল্যস্ফীতি তাদের প্রাক্কলনকে ছাড়িয়ে গেছে। মাসওয়ারি মে মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতির পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৭ শতাংশ।

আরব দেশগুলোর মধ্যে মিসরের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের সময় থেকে দেশটি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এ দুটি দেশ থেকে আমদানীকৃত শস্য ও পর্যটকদের ওপর দেশটি অনেক বেশি নির্ভরশীল। 

তাই রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধের ফলে অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ মিসর।

মিসরের অর্থনীতি ও ভোক্তাদের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি। ছয় বছরের মধ্যে মার্চে মিসরের মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিল। খাদ্যপণ্যের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ছিল এর প্রধান কারণ। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল মিসরের পাউন্ডের মান কমে যাওয়া। ডলারের বিপরীতে ৫০ শতাংশ মান কমে গেছে স্থানীয় মুদ্রার। 

কায়রো জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি প্রতিরোধ করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। আগামী বছরের চতুর্থ প্রান্তিকের মধ্যে মূল্যস্ফীতির পরিমাণ ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।