কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকদের আর্থিক সক্ষমতার উন্নয়ন এবং দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নীলফামারীর দেড় হাজার প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেছে এনসিসি ব্যাংক পিএলসি। বিশেষ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচির আওতায় জেলার নীলফামারী সদর, ডিমলা ও ডোমার উপজেলায় এ উপকরণ বিতরণ করা হয়। বিতরণ করা উপকরণের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জাতের উচ্চফলনশীল ধানের বীজ ও সার।

এ উপলক্ষে তিন উপজেলায় পৃথক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুন নেওয়াজ সেলিম। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।

এ সময় এনসিসি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুস সালাম, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান খায়রুল আলম চাকলাদার, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির আনামসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে এনসিসি ব্যাংকের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, ‘এ কর্মসূচির মাধ্যমে নীলফামারীর প্রান্তিক কৃষক উপকৃত হবেন। পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এ উদ্যোগ সহায়ক ভূমিকা রাখবে।’

এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুন নেওয়াজ সেলিম বলেন, ‘দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে কাজ করছে ব্যাংকটি। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে নীলফামারীর কৃষকদের মধ্যে উচ্চফলনশীল ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে অন্যান্য জেলার প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যেও কৃষি উপকরণ বিতরণ, উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের সুবিধা বাড়ানো এবং আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে।’

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন বলেন, ‘খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত ও কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এনসিসি ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। এ উদ্যোগ নীলফামারী অঞ্চলে উচ্চফলনশীল ধান চাষে উৎসাহ জোগানোর পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় কমাতে এবং সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’