চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় গত কয়েকদিন নিম্নমুখী ছিল দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের পাইকারি বাজার। তবে আমদানি কমে যাওয়ায় আবারো দাম বাড়তে শুরু করেছে মসলা পণ্যটির। কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এতদিন বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ইন্দোর ও নাসিক জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল। তবে সম্প্রতি নাসিক জাতের পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ রয়েছে। শুধু ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ আসছে। সঙ্গে আসছে নতুন বেলোরি জাতের পেঁয়াজ। এতে সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে দাম বেড়েছে।
হিলির বাজারে গিয়ে দেখা যায়, গতকাল বন্দরে আমদানীকৃত ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) ২৫-২৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, যা একদিন আগেও ২৩-২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। বেলোরি জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৭ টাকা কেজি দরে।
এদিকে দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা। পাইকার রফিকুল ইসলাম বলেন, চার-পাঁচদিন ধরে বন্দরে পেঁয়াজের দাম কম ছিল। যে কারণে পেঁয়াজ কিনে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন মোকামে পাঠাতে বেশ সুবিধা হয়েছিল আমাদের। কিন্তু সপ্তাহের শেষ দিনে সেই দাম আবারো বাড়তে শুরু করেছে। একদিন আগেও যে দামে বন্দর থেকে পেঁয়াজ কিনে মোকামে পাঠিয়েছি, সেই দামের চেয়ে কেজিপ্রতি ২-৩ টাকা করে বেড়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ ও ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম জানান, কয়েকদিন ধরে অব্যাহতভাবে অতিরিক্ত গরমের কারণে আমদানীকৃত পেঁয়াজের মান কিছুটা খারাপ হচ্ছিল। যে কারণে বাধ্য হয়ে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছে। অন্যদিকে ভারতের মোকাম দুইদিন বন্ধ থাকায় সরবরাহ কমেছে। এতে দাম কিছুটা বেড়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ দিন হওয়ায় ও শুক্রবার বন্দরের কার্যক্রম বন্ধের কারণেও দাম বেড়েছে বলে জানান তারা।










