ইন্দোনেশিয়ায় পাঁচটি জ্বালানি প্রকল্প পরিচালনার প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে সিঙ্গাপুর। প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ আমদানি করতে ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে দেশটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে । খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে। 

সিঙ্গাপুরের জ্বালানি বাজার কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, প্রকল্পগুলো যৌথভাবে ২ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে এবং ২০২৭ সালের শেষ থেকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে । 

বিবৃতিতে জানানো হয়, আঞ্চলিক পাওয়ার গ্রিডের মাধ্যমে লো-কার্বন বিদ্যুতের আমদানি সিঙ্গাপুরের জ্বালানি সরবরাহকে ডিকার্বনাইজড করার প্রচেষ্টার একটি প্রধান সহায়ক, যা এ অঞ্চলের নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকাশকে ত্বরান্বিত করবে।

লাইসেন্স দেয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে পিটি আদারো ক্লিন এনার্জি ইন্দোনেশিয়ার একটি ইউনিট, মেডিকো পাওয়ার গ্লোবাল পিটিই, কেপেল এনার্জি পিটিই লিমিটেড। প্রকল্পগুলো পরিচালনার জন্য ইন্দোনেশিয়ায় মোট প্রায় ১১ গিগাওয়াট সোলার প্লান্ট ও ঘণ্টায় ২১ গিগাওয়াট ব্যাটারি শক্তি সঞ্চয় করার প্রয়োজন হবে।

সিঙ্গাপুর বর্তমানে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে ৯৫ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। তবে সম্প্রতি দেশটি এর জ্বালানি মিশ্রণকে ডিকার্বনাইজড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  কিন্তু উপযুক্ত জায়গার অভাবের কারণে সৌর ও বায়ু খামার নির্মাণে সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ আমদানি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। 

গুরিন এনার্জির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদ রাজ্জাউক বলেন, ‘‌এশিয়ায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির বৃদ্ধি মানুষের ধারণার চেয়ে দ্রুত ও বড় হতে চলেছে, কারণ অঞ্চলটি ইউরোপের মতো একটি জ্বালানি বাজার গড়ে তুলেছে, যেখানে দেশগুলো নিয়মিতভাবে প্রতিবেশীদের থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে।’ 

যে প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে তা রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত সিঙ্গাপুর ছাড়াও জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ এ অঞ্চলজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৭ গিগাওয়াট প্রকল্প রয়েছে।