মর্টগেজ সুদহার ছয় মাসের মধ্যে চলতি সপ্তাহে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। ফ্রেডি ম্যাকের প্রকাশিত তথ্যে তা উঠে এসেছে। ৩০ বছরের স্থায়ী মর্টগেজ সুদহার আগের সপ্তাহের ৬ দশমিক ৬৭ থেকে কমে ৬ দশমিক ৬১ শতাংশে নেমে এসেছে। টানা নবম সপ্তাহে এ হার কমেছে। সামগ্রিকভাবে অক্টোবরের ৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ থেকে এ হার কমেছে। খবর ইয়াহু ফাইন্যান্স।
বাড়ি কিনবে এমন ক্রেতাদের জন্য এ খবর স্বস্তির হলেও এক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে।
বিশ্লেষকরা জানান, সুদহার কমার ফলে ২০২৪ সালে চাহিদা বাড়বে। ফলে দাম স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকবে। তবে মর্টগেজ সুদহার এ সপ্তাহে কম ছিল। ফেডারেল রিজার্ভ ডিসেম্বরে সুদহার স্থির রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পরে মর্টগেজ সুদহার প্রায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে।
মর্টগেজ সুদহার ২০২৪ সালে তিনবার কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে ফেড। ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব রিয়েলটরস (এনএআর) ২০২৪ সালে গড় হার ৬ দশমিক ৩ শতাংশ হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। অন্যদিকে রিয়েলটর ডটকমের অর্থনীতিবিদরা জানান, বছরের শেষের দিকে সুদহার কমিয়ে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ করা হবে। কিন্তু সারা বছর তা গড়ে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ থাকবে।
যদিও সুদহারের সাম্প্রতিক পতনের ফলে বাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ে কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যায়নি।
মর্টগেজ এজেন্ট এইচএসএইচ ডটকমের ভাইস প্রেসিডেন্ট কিথ গাম্বিংগার বলেন, ‘আগামী মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত যদি এ হার কম থাকে, তাহলে বাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ে পরিবর্তন দেখতে পাব। কিছু মালিক বাড়ি বিক্রি করতে আগ্রহী হতে পারেন।’
রিয়েলটর ডটকমের মতে, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বাড়ির বকেয়া মর্টগেজের হার ৪ শতাংশের নিচে এবং নয়-দশমাংশের বেশি বাড়ির মর্টগেজের হার ৬ শতাংশের কম। নভেম্বরে যদিও গত বছরের তুলনায় বাজারে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি নতুন তালিকাভুক্ত বাড়ি ছিল। যার মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে বিক্রেতারা বাড়ি বেচতে আগ্রহী।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব রিয়েলটরসের চিফ ইকোনমিস্ট লরেন্স ইয়ুন জানান, পুরনো বাড়ি বিক্রয় নভেম্বরে কিছুটা বেড়েছে, যা পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ। যদি সুদহার আরো কমে, তাহলে পুরনো বাড়ি বিক্রয়ে উল্লম্ফন আশা করা যায়।










