সংস্থাটির বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুনের শেষের দিকের এ ভূমিকম্পে মোট ক্ষয়ক্ষতির ৪৭ শতাংশই হয়েছে আবাসিক ভবনে। খবর আল জাজিরা।
ভেনিজুয়েলায় গত ২৪ জুন ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্যোগে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ নিহত ও প্রায় ১৭ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। এছাড়া ১৮ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে গৃহহীন অবস্থায় রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুসানা কর্ডেইরো গুয়েরা বলেন, ‘ভূমিকম্প মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত করেছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। সময়মতো পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হলে দেশটির উৎপাদনক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান আরো নিচে নেমে যাবে।’
দুর্যোগের আগে থেকেই ভেনিজুয়েলা চরম অর্থনৈতিক সংকটে ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির প্রায় ৭৬ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে।
বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল র্যাপিড ড্যামেজ এস্টিমেশন (গ্রেড) পদ্ধতিতে এ ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, লা গুয়াইরা রাজ্য ও দিসত্রিতো ক্যাপিটাল অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্যাটেলাইট ছবি, ভূকম্পনসংক্রান্ত উপাত্ত ও স্থানীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হিসাব প্রস্তুত করা হয়েছে।
ভূমিকম্পে বিপুল ধ্বংসযজ্ঞের পর বিশ্বজুড়ে অনেক দেশ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু পুনর্গঠনের বিশাল অর্থ কোথা থেকে আসবে, তা এখনো অনিশ্চিত। গত জানুয়ারিতে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপসারণের পর থেকে দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব রয়েছে।
প্রতিবেদন বলছে, রেডক্রসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ২০ কোটি ডলার মানবিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছে, তবে সে তহবিল সরাসরি ভেনিজুয়েলার পুনর্গঠনে বরাদ্দ করা হয়নি।










