রেকর্ড ডেট শেষে আগামী রোববার থেকে কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন চালু হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ৪০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১৮ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ ছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪১ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১৪ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৪৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ।

আলোচ্য হিসাব বছরে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৩৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ২৫ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৪ পয়সায়।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক হোলসিম গ্রুপ ও স্পেনভিত্তিক সিমেন্টোস মলিন্স গ্রুপের যৌথ উদ্যোগ লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ পিএলসি দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০০৩ সালে। বর্তমানে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৪০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৬১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৯৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১৬ কোটি ১৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০। এর ৬৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২২ দশমিক ৩১, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৭৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৩ দশমিক ৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।