২০৩০ সালের মধ্যে নিকেলের বৈশ্বিক চাহিদা ৪৪ শতাংশ বাড়বে। সম্প্রতি এমন পূর্বাভাস দিয়েছে ব্রাজিলভিত্তিক মাইনিং কোম্পানি ভ্যালে। বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির ব্যাটারির চাহিদা বৃদ্ধিতে নিকেলের বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ভ্যালে এক বিবৃতিতে জানায়, জ্বালানি খাতে বৈশ্বিক রূপান্তরের পরিপ্রেক্ষিতে নিকেলের চাহিদা বাড়ছে। বার্ষিক নিকেল উত্তোলন ৬২ লাখ টনে দাঁড়াতে পারে বলে পূর্বাভাস ভ্যালের। মধ্যমেয়াদে ভ্যালের বার্ষিক উত্তোলন ২ লাখ ৩০ হাজার থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে। যেখানে ২০২২ সালে ভ্যালের বার্ষিক নিকেল উত্তোলন সম্ভাবনা ১ লাখ ৯০ হাজার টন।
ইন্দোনেশিয়া ও কানাডায় উত্তোলন বৃদ্ধি ভ্যালের বাজার সম্প্রসারণ করবে। এ দেশ দুটির পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায়ও কার্যক্রম রয়েছে ভ্যালের।
গাড়ির ব্যাটারি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ তামার চাহিদাও বাড়বে। ভ্যালে বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক তামার চাহিদা ২০ শতাংশ বাড়বে। মধ্যমেয়াদি পূর্বাভাসে ভ্যালে জানায়, সামনের বছরগুলোয় বার্ষিক ৩ লাখ ৯০ হাজার থেকে ৪ লাখ ২০ হাজার টন তামা উত্তোলন হবে। যেখানে ২০২২ সালে বার্ষিক ২ লাখ ৮৫ হাজার টন তামা উত্তোলনের পূর্বাভাস মাইনিং জায়ান্টটির।










