তবে বাজেটের প্রকৃত সাফল্য কার্যকর বাস্তবায়ন, নীতির ধারাবাহিকতা এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বয়ের ওপর নির্ভর করবে বলে মনে করে সংগঠনটি। প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের পর অ্যামচেমের পক্ষে সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ এ প্রতিক্রিয়া জানান।
অ্যামচেম বলছে, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতি এবং ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। একই সঙ্গে জিডিপির ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ সমপরিমাণ বাজেট ঘাটতিকে তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।
তবে ঘাটতি অর্থায়নে অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভরতা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত করতে পারে এবং ঋণের ব্যয় বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছে অ্যামচেম। এ কারণে সামষ্টিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রাজস্ব ও মুদ্রানীতির মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
রাজস্ব আহরণের ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রাকে উচ্চাভিলাষী মনে করে অ্যামচেম। তবে কর প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর-অনুগত্য জোরদারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।
একই সঙ্গে করনীতি ও কর প্রশাসনের কার্যক্রম পৃথক করার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়নে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সম্প্রসারণ, রফতানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে প্রণোদনাকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছে অ্যামচেম। তবে এলডিসি উত্তরণ সামনে রেখে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে কাঠামোগত সংস্কার, নীতির পূর্বানুমানযোগ্যতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে সংগঠনটি।









