দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেসরকারি পর্যায়ে আরো ৪৮ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
ভারত থেকে রেয়াতি মূল্যে এসব চাল আমদানি করা হবে।
বন্দরের নয়জন আমদানিকারককে এ অনুমতি দেয়া হয়েছে।
এ নিয়ে তিন দফায় হিলি স্থলবন্দরের মোট ১১ জন আমদানিকারক ৫৬ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি পেলেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ২১ আগস্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
তালিকার তথ্য অনুয়ায়ী, হিলি স্থলবন্দরের নয়জন আমদানিকারক ৪৮ হাজার টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির অনুমোদন পেয়েছেন।
অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শরিফুল ট্রেডার্স সাত হাজার টন, রেনু কনস্ট্রাকশন ১০ হাজার টন, টুম্পা ইন্টারন্যাশনাল তিন হাজার টন, সাইরাম ইন্টারন্যাশনাল ১০ হাজার টন (আট হাজার টন সিদ্ধ ও আতপ চাল দুই হাজার টন) মেসার্স হিলি ইমপেক্স তিন হাজার টন, মেসার্স স্বপ্নপুরী তিন হাজার টন, আল আফিক ট্রেডার্স দুই হাজার টন মেসার্স সততা বাণিজ্যালয় পাঁচ হাজার টন ও মেসার্স আরকে ট্রেডিং পাঁচ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে।
এর আগে ১৭ ও ১৮ আগস্ট দুটি বরাদ্দপত্র অনুযায়ী হিলি স্থলবন্দরের ইউনাইটেড রাইস মিল পাঁচ হাজার টন ও রকি এন্টারপ্রাইজ তিন হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছিলেন।
এ নিয়ে তিন দফায় হিলি স্থলবন্দরের মোট ১১ জন আমদানিকারক ৫৪ হাজার টন সিদ্ধ চাল ও দুই টন আতপ চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছেন।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, চালের মূল্য সহনীয় রাখতে আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ ভাগ থেকে কমিয়ে ১৫ ভাগ নির্ধারণ ও বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।
এতে করে ভারত থেকে চাল আমদানির লক্ষ্যে হিলি স্থলবন্দরের বেশ কয়েকজন আমদানিকারক খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন।
সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ ও ১৮ আগস্ট প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় হিলি স্থলবন্দরের দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আট হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়।
অনুমতিপ্রাপ্ত আমদানিকারকরা আইপির (আমদানি অনুমতি) জন্য আবেদন করেছেন।
এরই মধ্যে অনেক আমদানিকারক আইপি পেয়েছেন।
তারা এখন এলসি খুলছেন।
আগামী দু-একদিনের মধ্যে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হতে পারে।
হিলি স্থলবন্দর উপসহকারী সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী এ বিষয়ে বলেন, বেশ কয়েকদিন চাল আমদানির আইপি দেয়া বন্ধ ছিল।
কিন্তু ২০ আগস্ট থেকে অনুমোদনপ্রাপ্ত আমদানিকারকদের চাল আমদানির জন্য আইপি দেয়া শুরু হয়েছে।










