গত ২৫ মার্চ স্বাক্ষর হওয়া এ চুক্তি গতকাল এমকে ফুটওয়্যারের পর্ষদে অনুমোদন করা হয়েছে। এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।

চুক্তি অনুসারে আগামী ৩ মে এমকে ফুটওয়্যারের কারখানায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়ে জুন পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে দুই লাখ জোড়া জুতা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে। এরপর আগামী ১ জুলাইয়ের আগে দীর্ঘমেয়াদে চুক্তি (কমপক্ষে পাঁচ বছর) স্বাক্ষরিত হবে। ২০২৬-২৭ সময়ে ২৭ লাখ জোড়া জুতা বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ২ কোটি ১৬ লাখ ডলার। ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে বছরে ৫০ লাখ জোড়া জুতা উৎপাদন করার কথা রয়েছে। এক্ষেত্রে ৪ কোটি ডলারের জুতা রফতানি সম্ভব হতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করেছে কোম্পানিটি।

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্যান্য বিনিয়োগকারীর জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এমকে ফুটওয়্যারের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৮৮ পয়সায়।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭ পয়ষা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ২২ পয়সা।

এর আগে ২০২২-২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটি কেবল সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ১৯ পয়সা।

২০২৩ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এমকে ফুটওয়্যারের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৭ কোটি ৮৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ারসংখ্যা ৪ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ২০০। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৫১ দশমিক ১৪ শতাংশ এর উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৫ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।