এভিয়েশন খাতে দক্ষতা ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে নতুন অর্থনৈতিক বিধিবিধানের প্রস্তাব করেছে দেশটির উড়োজাহাজ পরিষেবা কর্তৃপক্ষ। জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) খসড়া অর্থনৈতিক আইনটি ২২ জুন থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে নিরীক্ষণের জন্য জমা দিয়েছে। খবর আরব নিউজ।
এভিয়েশন খাতের প্রবৃদ্ধি, যাত্রীদের অভিজ্ঞতা বাড়া এবং স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করাই প্রস্তাবিত বিধিবিধানগুলোর লক্ষ্য। প্রস্তাবিত শর্তানুসারে, সৌদি সরকার স্থায়ী সম্পদের মালিকানা বজায় রাখবে। উদাহরণস্বরূপ যেসব জমির ওপর সৌদির বিমানবন্দর অবস্থিত, সেগুলোর মালিকানা সরকারের হাতেই থাকবে।
এসব স্থায়ী সম্পদের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ইজারা চুক্তি, ফ্র্যাঞ্চাইজি অধিকার কিংবা পাবলিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে দেয়া যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জিএসিএ এয়ার ট্রাফিক সেবার সঙ্গে সম্পর্কিত ও এর বহির্ভূত বিষয়াদির ফি নিয়ন্ত্রণ করবে বলে প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে। এয়ার ট্রাফিক বহির্ভূত পরিষেবার মধ্যে রয়েছে স্থান ভাড়া, বিমানবন্দর সুবিধা ও বিমানবন্দর প্রযুক্তি। প্রবেশ মূল্য, ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং, পাবলিক সার্ভিস যেমন বিদ্যুৎ, পানি, ইন্টারনেট, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদিও এর অধীনে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অন্যদিকে এয়ার ট্রাফিক সেবার অধীনে রয়েছে ভবন ও যাত্রী সুবিধা ব্যবহারের খরচ, অবতরণ ও উড্ডয়ন ভাড়া, যাত্রী ও বিমানের নিরাপত্তার খরচ, বিমানবন্দরে সেতু বোর্ডিং চার্জ ও বাস পরিবহন ভাড়ার দায়িত্ব।
জিএসিএর লক্ষ্য সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান অনুসরণ করে বিমানবন্দরের জন্য একটি নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত পরিবেশ তৈরি করা। পাশাপাশি ধারাবাহিকভাবে অসাধারণ পরিষেবা দিতে একটি আধুনিক বিমানবন্দর ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাবে সংস্থাটি।










