করোনা মহামারীর অভিঘাতে ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছিল শিল্পকর্মের বাজার। ব্যতিক্রম ছিল না নিলামঘর ক্রিস্টিজের ভাগ্যও। তবে চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানটির জন্য বিশাল চমক অপেক্ষা করছিল। জানুয়ারিতে ১০ কোটি ডলারের বেশি দামে বিক্রি হয়ে গেল একটি শিল্পকর্ম। তবে এখনো ক্রেতা ও বিক্রেতার নাম প্রকাশ করেনি ক্রিস্টিজ। এক সাক্ষাৎকারে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী প্রধান গিউম সেরুত্তি দাবি করেছেন, জানুয়ারিতে বিক্রি হওয়া চিত্রকর্মটির দাম ১০ কোটি ডলারের বেশি। যদিও এর বেশি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তিনি। পেইন্টিংটি ছিল মার্ক রথকোর ‘নম্বর সিক্স’ বা ভায়োলেট, গ্রিন অ্যান্ড রেড। তবে অন্য একটি সূত্র বলছে, ১৯৫১ সালে আঁকা চিত্রকর্মটি নিলামে তুলেছেন রুশ বিলিয়নেয়ার দিমিত্রি রিবোলভলেভ। ২০১৪ সালে ১৪ কোটি ইউরোয় চিত্রকর্মটি কিনেছিলেন তিনি। জানুয়ারিতে রিবোলভলেভের কাছ থেকে ছবিটা কিনেছেন কেনেথ গ্রিফিন। কভিড-১৯-এর পর থেকেই নিলামে শিল্পকর্ম বিক্রির ঘটনা বেড়েছে। শিল্প সংগ্রাহকরা কেনাকাটায় এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী। গত বছরে ক্রিস্টিজের বিক্রি বেড়েছে ৪৯ শতাংশ। অন্য নিলামঘর সোথবিজের বিক্রিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। গত বছরে ক্রিস্টিজের নিলামে বিক্রি হওয়া সবচেয়ে দাবি শিল্পকর্ম ছিল ৭ কোটি ৪০ লাখ ডলারের। যদিও গিউম সেরুত্তি বলছেন, গোপনে এর চেয়েও বেশি দামের বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। তিনি মনে করেন, গোপনীয়ভাবে বিক্রি বাড়লেও প্রকাশ্যে বিক্রির হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে সামগ্রিক বিক্রি কমেছে প্রায় ১৯ শতাংশ। সেরুত্তির ভাষায় ক্রেতারা দিন দিন গোপনীয়তা বজায় রাখছেন। তারা কেনাকাটার তথ্য গোপন রাখতে চাচ্ছেন।
মার্ক রথকোর চিত্রকর্মের দাম উঠল ১০ কোটি ডলারের বেশি
করোনা মহামারীর অভিঘাতে ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছিল শিল্পকর্মের বাজার। ব্যতিক্রম ছিল না নিলামঘর ক্রিস্টিজের ভাগ্যও। তবে চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানটির জন্য বিশাল চমক অপেক্ষা করছিল। জানুয়ারিতে ১০ কোটি ডলারের বেশি দামে বিক্রি হয়ে গেল একটি শিল্পকর্ম। তবে এখনো ক্রেতা ও বিক্রেতার নাম প্রকাশ করেনি ক্রিস্টিজ। এক সাক্ষাৎকারে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী প্রধান গিউম সেরুত্তি দাবি করেছেন, জানুয়ারিতে










