রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত ‘মেধাস্বত্ব অধিকার কাঠামো এগিয়ে নেয়া: ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক ব্রেকফাস্ট আলোচনা সভায় এ-বিষয়টি উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ বলেন, ‘দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য শক্তিশালী আইপিআর কাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

নিরাপদ আইপিআর ব্যবস্থা বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও উদ্ভাবকদের বাংলাদেশ থেকে পণ্য সংগ্রহে আস্থা তৈরি করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নয়াদিল্লির যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সিনিয়র কমার্শিয়াল স্পেশালিস্ট ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের আইপি পলিসি অ্যাডভাইজার শিল্পী ঝা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নতুন সরকারের জন্য এখনই উপযুক্ত সময় আইপিআর কাঠামো আরো শক্তিশালী করার। এতে বিনিয়োগ বাড়বে এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত উপকৃত হবে।’ আইপিআর বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্যাটেন্ট, ট্রেডমার্ক, কপিরাইট ও ভৌগোলিক নির্দেশক বিষয়ে বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের সুপারিশ করেন মার্কিন এ কর্মকর্তা।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যামচেমের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আল-মামুন এম রাসেল ও মির্জা সজিব রায়হান, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর পল ফ্রস্ট, অ্যামচেমের নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী কায়সার মোহাম্মদ রিয়াদসহ বিভিন্ন শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা।