ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের হামলা এড়াতে সুয়েজ খালের পরিবর্তে অন্য রুটে চলাচলে বাধ্য হচ্ছে আরো শতাধিক কন্টেইনার জাহাজ। এর ফলে পথ লম্বা হওয়ায় বেড়ে যাচ্ছে পরিবহন ব্যয়, লাগছে অতিরিক্ত সময়। সুয়েজ খাল ব্যবহার করতে না পারায় বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনেও নেতিবাচক প্রভাবের কথা বলছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। —খবর দ্য গার্ডিয়ান।

বিশ্বের বৃহৎ শিপিং কোম্পানি কুহেন এবং নাগেল জানিয়েছে, তাদের ১০৩টি জাহাজ অন্য রুট ব্যবহার শুরু করেছে। জাহাজগুলো দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপের আশপাশ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে তারা।

এদিকে সুয়েজ খাল ব্যবহার করতে না পারায় জাহাজগুলোকে এশিয়া এবং ইউরোপে যাতায়াতে প্রায় ৬ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ বেশি অতিক্রম করতে হচ্ছে। এছাড়া অন্য রুট ব্যবহারে পণ্য পাঠাতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৩-৪ সপ্তাহ বেশি সময় ব্যয় করে বন্দরে পৌঁছাচ্ছে।

হামাস-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকে তেল আবিবকে বাণিজ্যিকভাবে চাপে ফেলতে লোহিত সাগরে চলাচলরত বিভিন্ন কন্টেইনার জাহাজে হামলা চালাচ্ছে হামাস সমর্থিত গোষ্ঠী হুথি। যার ফলে সুয়েজ খালে এসব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুমকি মনে করছে বিশ্বের শিপিং প্রতিষ্ঠানগুলো।

বছরে প্রায় ১৯ হাজার কন্টেইনার জাহাজ সুয়েজ খাল ব্যবহার করে। এটি বিশ্বের অন্যতম বাণিজ্যিক রুট হিসেবে বিবেচিত। এশিয়া এবং ইউরোপের জীবাশ্ম জ্বালানি এবং পণ্য আমদানি-রফতানিতে সুয়েজ খালের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।