কৃষকের কাছ থেকে কোকো সংগ্রহের মূল্য (ফার্মগেট মূল্য) বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ঘানা। কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও দেশে পাচার রোধ করার লক্ষ্যে দেশটির সরকার এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার পরিকল্পনা করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিল্পসংশ্লিষ্ট দুই সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সূত্রের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ মৌসুমের জন্য কোকোচাষীদের কাছ থেকে ফসল সংগ্রহের মূল্য ৪৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কোকো উৎপাদনকারী দেশ ঘানা। এর আগে দেশটি ২০২৩-২৪ মৌসুমের এপ্রিলে কোকো সংগ্রহের মূল্য ৫৮ শতাংশ বাড়ায়। টনপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করে ৩৩ হাজার ১২০ সেডি (২ হাজার ১২৩ ডলার শূন্য ৮ সেন্ট) বা ৬৪ কেজিতে ২ হাজার ৭০ সেডি।
একটি সূত্র জানায়, ঘানার কোকো উৎপাদক মূল্য পর্যালোচনা কমিটি ২০২৪-২৫ মৌসুমের জন্য টনপ্রতি মূল্য ৪৮ হাজার সেডি বা প্রতি ৬৪ কেজি কোকো ৩ হাজার সেডি নির্ধারণ করেছে।
সূত্রটি আরো জানায়, এ সিদ্ধান্ত মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
অন্য এক সূত্র জানায়, মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে টনপ্রতি মূল্য ৪৮ হাজার সেডির বেশি বাড়ানো যাবে না। কারণ এতে ঘানার কোকো বিপণন বোর্ড কোকোবড আর্থিক ঘাটতিতে পড়তে পারে।
বিশ্বে ৬০ শতাংশেরও বেশি কোকো সরবরাহ করে থাকে ঘানা ও আইভরি কোস্ট। এ দুই দেশে চলতি বছর ফসলে রোগ ও প্রতিকূল আবহাওয়া বিরাজমান ছিল। ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ায় পণ্যটির মূল্যও ছিল ঊর্ধ্বমুখী।
আন্তর্জাতিক কোকো সংস্থা বৃহস্পতিবার ২০২৩-২৪ মৌসুমের (অক্টোবর-সেপ্টেম্বর) জন্য চাহিদার তুলনায় বিশ্বব্যাপী কোকো ঘাটতির পূর্বাভাস সংশোধন করে ৪ লাখ ৬২ হাজার টনে উন্নীত করেছে। আগের পূর্বাভাসে যা ছিল ৪ লাখ ৩৯ হাজার টন।










