আফ্রিকার দেশ কেনিয়ার চা রফতানি বাড়লেও উৎপাদন কমেছে। ২০২০ সালের প্রথমার্ধের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে দেশটির চা রফতানি ১৯ শতাংশ বেড়েছে। ফলে কেনিয়ায় পানীয় পণ্যটি রফতানির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার কেজিতে। দেশটির চা নিয়ন্ত্রণ সংস্থার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমনটা জানিয়েছে।
এদিকে চা রফতানিতে সাফল্যের দেখা পেলেও কমেছে পণ্যটির উৎপাদন। দেশটিতে চায়ের উৎপাদন ২০২০ সালের প্রথমার্ধের তুলনায় ২০২১ সালের একই সময়ে ৯ শতাংশ কমেছে। এতে করে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে কেনিয়ার উৎপাদিত মোট চায়ের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার কেজিতে।
পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়া বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ‘ব্ল্যাক টি’
রফতানিকারক দেশের একটি। পর্যটন ও বিদেশ থেকে পাঠানো প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কেনিয়ার একটি শীর্ষ পণ্য চা।
দেশটির চা নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ‘টি বোর্ড অব কেনিয়া’র বিবৃতিতে বলা হয়, মোম্বাসাভিত্তিক নিলামে প্রতি কেজি চায়ের দাম ছিল ১ ডলার ৯৬ সেন্ট, যা ২০২০ সালের প্রথমার্ধে কেজিপ্রতি ২ ডলার শূন্য ৭ সেন্টে বিক্রি হওয়া দামের চেয়েও কম।
কেনিয়ার চায়ের সবচেয়ে বড় ক্রেতা পাকিস্তান, মিসর ও যুক্তরাজ্য। ২০২১ সালের প্রথমার্ধে দেশটির অভ্যন্তরীণ চায়ের ব্যবহার ২০২০ সালের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।
যদিও কেনিয়ার চায়ের উৎপাদন কমে গেছে, তবে পূর্বের অবিক্রীত চায়ের পরিমাণ নতুন করে মোট রফতানিতে যুক্ত হওয়ায় বেড়েছে রফতানির পরিমাণ।
তবে কেনিয়ার চা বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, অনুপোযোগী আবহাওয়ার কারণে বছরের বাকিটা সময়ে কেনিয়ার প্রত্যাশিত চা উৎপাদন আরো কমে যেতে পারে।










