ফিউচার মার্কেটে নিম্নমুখিতায় সপ্তাহ শেষ করেছে মালয়েশিয়ান পাম অয়েল। গত তিন সপ্তাহের মধ্যে পণ্যটিরে প্রথম সাপ্তাহিক পতন এটি। উদ্ভিজ্জ তেলের চাহিদা কমে যাওয়ায় ও প্রত্যাশার চেয়েও বেশি উৎপাদন হওয়ায় দাম কমেছে পণ্যটির। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে গতকাল ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তিতে পাম অয়েলের দাম কমেছে ৬১ রিঙ্গিত বা ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ রিঙ্গিত বা ৮৩১ ডলার ৫৫ সেন্টে। টানা দুই সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখিতায় পার করার পর শুক্রবার শেষ হওয়া সপ্তাহে ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে চুক্তিটি।

মালয়েশিয়ার পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ১-২০ নভেম্বরের মধ্যে পাম অয়েলের উৎপাদন কমেছে ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ। তবে ব্যবসায়ীদের পূর্বাভাস ছিল উৎপাদন হ্রাস দুই অংকের ঘরে নামবে। তাদের আশঙ্কা ছিল, ভারি বৃষ্টিপাত ফসল কাটাকে ব্যাহত করবে।

কুয়ালালামপুরভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘‌এটি প্রমাণ করে উৎপাদন অঞ্চলটি এখনো ভারি বৃষ্টিপাতে প্রভাবিত হয়নি। তবে বর্ষা মৌসুমের প্রভাব নিয়ে ব্যবসায়ীরা সতর্ক।’

পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যামস্পেক এগ্রি মালয়েশিয়ার তথ্য বলছে, ১-২০ নভেম্বরের মধ্যে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল পণ্যের রফতানি গত মাসের তুলনায় ২-৯ শতাংশের মধ্যে হ্রাস পেয়েছে।

মালয়েশিয়ান রফতানি কমায় বড় ভূমিকা রেখেছে ভারতীয় আমদানি কমে আসার ঘটনা। আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভোজ্যতেলটির শীর্ষস্থানীয় ভোক্তা দেশটি ব্যাপক হারে পাম অয়েল মজুদ করে। ফলে দেশটিতে বর্তমানে পাম অয়েল উদ্বৃত্ত থাকায় আমদানি কমিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। এ কারণে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তিতে ভারতীয় ক্রয়াদেশ ব্যাপক কমে গেছে।