২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে ফ্রান্সের গম রফতানি গত বছরের চেয়ে ২১ শতাংশ বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১ কোটি ৬ লাখ টনে। মূলত উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোয় শক্তিশালী চাহিদা রফতানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। ফ্রান্সের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন ফ্রান্সএগ্রিমার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় গম উৎপাদক দেশ ফ্রান্স। এ মৌসুমে দেশটির গম উৎপাদন ১ কোটি ৩ লাখ টনে উন্নীত হবে বলে গত মাসে পূর্বাভাস দিয়েছিল ফ্রান্সএগ্রিমার। চলতি মাসে তা আরো তিন লাখ বাড়ানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির খাদ্যশস্য ইউনিটের নির্বাহী প্রধান পল লে বাইদু বলেন, উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো বিশেষ করে মরক্কোয় ফ্রান্সে উৎপাদিত গমের ব্যাপক চাহিদা। রাশিয়া বিশ্বের শীর্ষ গম রফতানিকারক দেশ। সমুদ্রপথে দেশটি থেকে গম আমদানিতে বীমা ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে, যা ফ্রান্সের রফতানিকারকদের বেশ ভালো সুবিধা দিচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ফ্রান্সএগ্রিমারের সঙ্গে বাজার অংশীজনদের আলাপ হয়েছে। তাদের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে ফ্রান্সের গম রফতানি ১ কোটি থেকে ১ কোটি ১০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বাজারে এখনো ভয়াবহ অনিশ্চয়তা রয়েছে।
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরে দেশটির গম রফতানি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার টন থেকে কমে ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টনে নামতে পারে বলে জানিয়েছে ফ্রান্সএগ্রিমার। এছাড়া মৌসুমের সমাপনী মজুদের পূর্বাভাস কমিয়ে ২৩ লাখ ৩০ হাজার টন ধরা হয়েছে, ডিসেম্বরে যা ছিল ২৫ লাখ ৫০ হাজার টন।
অন্যদিকে যবের মজুদ কিছুটা বেড়ে ১৯ লাখ ৭০ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে। ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে পশুখাদ্য উৎপাদন ও রফতানিতে শস্যটির চাহিদা কমার আশঙ্কায় মজুদ বাড়বে বলে জানিয়েছে ফ্রান্সএগ্রিমার।










