চলতি বছর দক্ষিণ কোরিয়ার চাল উৎপাদনের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ১ শতাংশ বাড়তে পারে। সুবিধাজনক আবহাওয়া ও চাষযোগ্য ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির চাল উৎপাদনে এ প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। শুক্রবার প্রকাশিত এক তথ্যে এমনটা জানা যায়। খবর ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি।
স্ট্যাটিসটিকস কোরিয়ার প্রকাশিত তথ্য অনুসারে দেখা যায়, চলতি বছর দক্ষিণ কোরিয়ার চাল উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৩৮ লাখ ৩০ হাজার টন। গত বছর দেশটির বার্ষিক চাল উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৩৫ লাখ ১০ হাজার টন, যা দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে ৫২ বছরের সর্বনিম্ন চাল উৎপাদনের পরিমাণ।
২০২০ সালে টানা পাঁচ বছরের মতো দেশটির চাল উৎপাদনের পরিমাণ নিম্নমুখী ধারা বজায় রাখার পর এটি প্রথম বারের মতো খাদ্যশস্যটির উৎপাদন পুনরুদ্ধারের চিত্র। তবে চলতি বছরের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে টানা পাঁচ বছরের মতো এটি ৪০ লাখ টনের নিচে বার্ষিক চাল উৎপাদনের পরিমাণ বলেও জানায় স্ট্যাটিসটিকস কোরিয়া।
সংস্থাটি জানায়, জুলাই ও আগস্টে ভালো আবহাওয়া চাল উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সাহায্য করেছে। পাশাপাশি চাষযোগ্য ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে। চলতি বছর ৭ হাজার ৩২৪ বর্গকিলোমিটার ভূমিজুড়ে ধান চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। দক্ষিণ কোরীয়দের অন্যতম প্রধান খাদ্য ভাত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের জন্য খাদ্যশস্যটির ব্যবহার ক্রমাগত কমে আসছে।










