চলতি বছর ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ লাখ টন চাল রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে থাইল্যান্ড। এবারের মৌসুমে উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্থানীয় মুদ্রার বিনিময় কমার ফলে রফতানি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয়ার দেশটি। সম্প্রতি সরকারের এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ভারতের ভাঙা চাল রফতানি বন্ধ এবং ২০ শতাংশ রফতানি শুল্ক বৃদ্ধির কারণে বিশ্ববাজারে সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ডের রফতানি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাজারে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারত ও ভিয়েতনামের পর বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ চাল রফতানিকারক দেশ থাইল্যান্ড। চলতি বছরে ৭০ লাখ টন চাল রফতানির পরিকল্পনা ছিল দেশটির। জানুয়ারি-জুুলাইয়ের মধ্যে ৪০ লাখ ৯০ হাজার টন চাল রফতানি করেছে দেশটি। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ৫৪ শতাংশ বেড়েছে।

রচদা ধনাদিরেক নামে সরকারের এক মুখপাত্র জানান, অনুকূল পরিবেশে চলতি মৌসুমে ধান উৎপাদন বেড়েছে। এছাড়া দুর্বল বাথের কারণে বিশ্ববাজারে থাই চালের দাম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এসব কারণে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক খাদ্যশস্য পরিবহন বিঘ্নিত হয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। অনেক দেশে মূল্যস্ফীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন দেশের খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে থাই চালের চাহিদা বেড়েছে। অনেক দেশ পশুখাদ্য হিসেবে গম ও ভুট্টার বিকল্প হিসেবেও চাল কিনতে চাচ্ছে বলে জানান রচদা।