৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ শেয়ার হস্তান্তর সম্পন্ন হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, তালিকাভুক্তি বিধিমালা ২০১৫-এর ৪৭(১)(ডি) বিধি অনুসারে স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেডিং সিস্টেমের বাইরে এ শেয়ার হস্তান্তরের বিষয়টি অনুমোদন করেছে ডিএসই। এ বিধি অনুসারে খেলাপি ঋণের বিপরীতে আইনগতভাবে শেয়ার হস্তান্তরের বিধান রয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৭ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৪ মে বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে ব্যাংকটি। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে এ বছরের ৩০ এপ্রিল।
ডিএসইতে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার সর্বশেষ ১৭ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১৫ টাকা ৯০ থেকে ১৯ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২২ পয়সাা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব যা ছিল একই। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৩৮ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১২ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১১২ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ২৩৪ কোটি ৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১১ কোটি ২৯ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫১। এর ৪৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক ২৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩২ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










