দেশে কাচামরিচের দাম বেড়ে অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় দাম নিয়ন্ত্রনে আনতে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে কাচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এতে করে দেশের বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় মাত্র একদিনের ব্যবধানে হিলিতে দেশীয় কাচামরিচের দাম কমেছে কেজিতে ২০টাকা করে।
সোমবার সরেজমিন হিলির কাচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারের সব দোকানেই কাচামরিচের সরবরাহ ভালো রয়েছে। তবে দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে একদিন আগেও প্রতিকেজি কাচামরিচ ১২০ টাকা ছিলো। বর্তমানে তা কমে কেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারের কাচামরিচ বিক্রেতা মনতাজ আলী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারনে কাচামরিচের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় দেশের বাজারে কাচামরিচের সরবরাহ কমায় দাম অস্থিতিশীল হয়ে উঠিছিল, প্রায় প্রতিদিনই মোকামে কাচামরিচের দাম বাড়ছিল। তবে গতকয়েকদিনের তুলনায় মোকামে কাচামরিচের সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে।
এছাড়াও বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে কাচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ার এমন খবরে মোকামে কাচামরিচের দাম কমতে শুরু করেছে। আর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে যেসব কাচামরিচ আমদানি হচ্ছে তা স্থানীয় বাজারে আসছেনা সরাসরি ঢাকায় চলে যাচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের কাচামরিচ আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন বলেন,দেশের বাজারে সরবরাহ কমায় কাচামরিচের দাম বেড়ে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এমন অবস্থায় দেশে কাচামরিচের দাম নিয়ন্ত্রনে আনতে আইপি পাওয়া স্বাপেক্ষে ভারত থেকে কাচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে কাচামরিচ আমদানি হলেও দীর্ঘ ৮মাস বন্ধের পর গত শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এতে করে দেশের বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় দাম অনেকটা নিয়ন্ত্রনে আসছে।
এদিন বন্দর দিয়ে ২টি ট্রাকে ২৩ হাজার ৫৬২ কেজি কাচামরিচ আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত কাচামরিচ সাধারনত ৮৫/৯০টাকায় বিক্রি করা হলেও সেদিন বন্দরে ক্রেতা না থাকায় কাচামরিচগুলো ঢাকায় বিক্রির জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু মান খারাপ হওয়ার কারনে যা ৩০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে হয়েছে এতে করে ব্যাপক লোকশানের মধ্যে পড়তে হয়েছে। আজকেও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১টি ট্রাকে ১৩টন কাচামরিচ আমদানি হয়েছে, তবে এখনো কোন দামে বিক্রি হয়নি। হিলিসহ দেশের অনান্য বন্দর দিয়ে কাচামরিচ আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম কমে আসবে বলেও জানান তিনি।










