ব্রাজিলে চলতি মাসে নতুন চিনি উৎপাদন মৌসুম শুরু হয়েছে। নতুন মৌসুমে দেশটি ৪ কোটি ৩ লাখ টন চিনি উৎপাদন করতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যা দ্বিতীয় রেকর্ড সর্বোচ্চ। খবর রয়টার্স।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশটির আবহাওয়া বর্তমানে চিনি উৎপাদনের উপযোগী। আখ মাড়াই থেকে সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মিলগুলোর হাতে ভালো পরিমাণ পুঁজিও আছে।
স্থানীয় বাজার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান জব ইকোনমিয়া সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, মিলগুলো বর্তমানে ইথানলের পরিবর্তে চিনি উৎপাদনে বেশি আগ্রহী। কারণ চিনি থেকে ইথানলের তুলনায় ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।
জব ইকোনমিয়া বলছে, দক্ষিণ-মধ্য ব্রাজিলে সবচেয়ে বেশি চিনি উৎপাদন হয়। বাকিটুকু আসে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে। দেশটিতে সদ্য বিদায়ী মৌসুমের তুলনায় এবার সাড়ে ৩১ লাখ টন বেশি চিনি উৎপাদন হবে। ভোগ্যপণ্যটি উৎপাদনে এবার আখ বরাদ্দের হারও রেকর্ড স্পর্শ করবে।
ভারত, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোও চিনি উৎপাদনে বহুমুখী সমস্যায় আছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্রাজিলে উৎপাদন বাড়লে তা বৈশ্বিক সরবরাহ খাতে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে। পাশাপাশি বৈশ্বিক সরবরাহ ঘাটতি কমাতেও সহায়তা করতে পারে দেশটি।










