অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক উত্তোলন বেড়েছে। গত মাসে উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়ায় দৈনিক ৭ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেলে। আর উত্তোলন বাড়াতে প্রধান প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)।
জ্বালানি তেলের বাজারবিষয়ক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রফতানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেকের সদস্য দেশ নাইজেরিয়ায় সম্প্রতি জ্বালানি তেল উত্তোলন তলানিতে নেমেছে। মূলত বিনিয়োগ স্বল্পতা ও পাইপলাইন থেকে চুরির কারণে দেশটি উত্তোলন বাড়াতে পারছে না, পূরণ করতে পারছে না জোটের বেঁধে দেয়া কোটাও। এ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক উত্তোলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। কিন্তু সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তাতে ভারসাম্য এনেছে। এদিকে ওপেকের বাইরে এবং ওপেক প্লাসের সদস্য রাশিয়া ও কাজাখস্তানের উত্তোলনও গত মাসে কমেছে বলে জানিয়েছে আইইএ।
সংস্থাটি বলছে, গত মাসে বাড়লেও চলতি বছরের শেষ নাগাদ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক উত্তোলন কমে যেতে পারে। আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত উত্তোলন বাড়বে মাত্র দৈনিক ২ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল। মোট উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়াবে দৈনিক ১০ কোটি ১৬ লাখ ব্যারেলে।
চলতি বছর দৈনিক ৪৮ লাখ ব্যারেল করে বৈশ্বিক উত্তোলন বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তোলনের গড় পরিমাণ দাঁড়াবে দৈনিক ১০ কোটি ১ লাখ ব্যারেলে। আগামী বছর বৈশ্বিক উত্তোলন দৈনিক ১৭ লাখ ব্যারেল করে বাড়তে পারে। মোট উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়াবে দৈনিক ১০ কোটি ১৮ লাখ ব্যারেলে।
ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশনের তথ্য বলছে, আগস্টে লিবিয়ার উত্তোলন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এ সময় দেশটি দৈনিক ১২ লাখ ১১ হাজার ব্যারেল করে উত্তোলন করে। দেশটির বন্দরগুলোয় অবরোধ ও অস্থিরতার পর এবারই প্রথম উত্তোলন বাড়ল। অন্যদিকে নাইজেরিয়ার উত্তোলন দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেলেরও নিচে নেমেছে।










