দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষ আগের চেয়ে অনেক কম ফল খাচ্ছে। গত ১৫ বছরে তাদের ফল খাওয়া কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে মাথাপিছু ফল খাওয়ার পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৫৫ কেজিতে, যা ২০০৭ সালের ৬৭ দশমিক ৯ কিলোগ্রাম থেকে নেমে এসেছে। কমলা ও আপেল যথাক্রমে ১১ দশমিক ৮ কেজি ও ১১ কেজি হারে মাথাপিছু খরচের শীর্ষে রয়েছে। এরপর তালিকায় রয়েছে ৪ দশমিক ৪ কেজি নাশপাতি, ৪ দশমিক ৪ কেজি আঙুর, ৩ দশমিক ৭ কেজি পিচ ও ১ দশমিক ৯ কেজি পার্সিমন। ফল খাওয়ার সঙ্গে দাম বাড়ার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। সাধারণত কোরিয়ান ভোক্তারা ফলকে সবচেয়ে কম প্রয়োজনীয় খাদ্য হিসেবে দেখে থাকে। তাই দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষ ফল কম কিনছে। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ফলের দাম ২০২৩ সালে তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে, যা গত ৩২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। ওই সময় কমলা ও আপেলের দাম বেড়েছে যথাক্রমে ৭১ ও ৭৮ শতাংশ। ফলের দাম বাড়ার মূল কারণ হচ্ছে উৎপাদন কমে আসা। দক্ষিণ কোরিয়ায় ফল চাষের মোট জমি ২০০০ সালে ১ লাখ ৭২ হাজার ৯০০ হেক্টর থেকে কমে ২০২২ সালে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৩০ হেক্টরে নেমে এসেছে। বয়োবৃদ্ধ জনসংখ্যার কারণে গত এক দশকে মোট কৃষকের সংখ্যাও ২৮ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২১ লাখ ৭০ হাজারে হ্রাস পেয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণেও ফল উৎপাদন কমেছে। গত বছর আপেল ও নাশপাতি উৎপাদন ৩০ শতাংশ কমেছে। মূলত বসন্ত মৌসুমে কম তাপমাত্রা ও গ্রীষ্মের মৌসুমে বৃষ্টিপাতের কারণে উৎপাদন কমেছে। ফল ও কৃষি সরবরাহের ঘাটতি মোকাবেলায় সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী সং মি-রিউং একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি কৃষকদের জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি ফল উৎপাদনের জন্য একটি পরামর্শ সংস্থা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন। আপেল ও সবুজ পেঁয়াজসহ ১৩টি পণ্যের দাম কমাতে চলতি বছরের মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ২ হাজার ৪০ কোটি ওন বিনিয়োগ করবে সরকার। খবর দ্য কোরিয়া হেরাল্ড
আগের চেয়ে কম ফল খাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষ
দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষ আগের চেয়ে অনেক কম ফল খাচ্ছে। গত ১৫ বছরে তাদের ফল খাওয়া কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে মাথাপিছু ফল খাওয়ার পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৫৫ কেজিতে, যা ২০০৭ সালের ৬৭ দশমিক ৯ কিলোগ্রাম থেকে নেমে এসেছে। কমলা ও আপেল যথাক্রমে ১১ দশমিক ৮ কেজি ও ১১ কেজি হারে মাথাপিছু খরচের শীর্ষে রয়েছে। এরপর










