হারিকেন আইডার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকো উপসাগর উপকূলে অবস্থিত প্রধান প্রধান রফতানি টার্মিনাল। এতে খাদ্যশস্য আমদানিতে বিপাকে পড়েছেন এশীয় অঞ্চলের আমদানিকারকরা। খবর রয়টার্স।

বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, এশিয়ার খাদ্যশস্য ও তেলবীজ ক্রেতারা প্রায় এক মাসের জাহাজীকরণজনিত বিলম্বের সম্মুখীন হতে যাচ্ছেন। এতে প্রকট হতে পারে সরবরাহ। ফলে মূল্যসংবেদনশীল ভোক্তা অঞ্চল এশিয়ায় খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মহামারী প্রতিরোধে গৃহীত নানা বিধিনিষেধের কারণে এরই মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। হু হু করে বাড়ছে এসব পণ্যের দাম। ফলে এশিয়ার আমদানিকারকরা ক্রয় সীমিত হয়ে যাওয়ায় নিজস্ব মজুদ থেকেই স্থানীয় বাজারে খাদ্যশস্য সরবরাহ করছেন। এমন পরিস্থিতিতে আইডার প্রভাব আমদানি খাতে নতুন বিপত্তির জন্ম দিয়েছে।

এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় সয়াবিন ক্রেতা দেশ চীন। ভুট্টা ক্রয়ের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে জাপান। এছাড়া গম আমদানিতে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ইন্দোনেশিয়া। আইডার প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কারগিলসহ অন্যান্য প্রধান রফতানি প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এসব দেশের আমদানি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

আমদানিকারকরা জানান, আইডার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে রফতানি প্রতিষ্ঠানগুলোর আরো অন্তত এক মাস সময় লাগবে। এ কারণে সেপ্টেম্বরের জাহাজীকরণ চুক্তি পিছিয়ে আক্টোবরে নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে এসব প্রতিষ্ঠান। অনেক প্রতিষ্ঠান চুক্তি বাতিলের প্রস্তাবও করেছে।