তুরস্কে ফেব্রুয়ারিতে বার্ষিক ভোক্তা মূল্যস্ফীতি ৬৭ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশে পৌঁছেছে। তুরস্কের পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বেড়েছে। খবর সিএনবিসি।
রয়টার্সের জরিপে বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস করেছিলেন যে ফেব্রুয়ারিতে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৬৫ দশমিক ৭ শতাংশে হবে। হোটেল, ক্যাফে ও রেস্তোরাঁর সম্মিলিত খাতে সর্বাধিক বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৯৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া শিক্ষা খাতে ৯১ দশমিক ৮৪ শতাংশ, স্বাস্থ্য খাতে ৮১ দশমিক ২৫ ও পরিবহন খাতে ৭৭ দশমিক ৯৮ শতাংশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।
গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য ও অ্যালকোহল মুক্ত পানীয়ের দাম বেড়েছে ৭১ দশমিক ১২ শতাংশ। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশটির মূল্যস্ফীতির মাসিক পরিবর্তনের হার ছিল ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ। তুরস্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত মাসে ইঙ্গিত দিয়েছিল তারা আট মাসের দীর্ঘ সুদহার বৃদ্ধির চক্র শেষ করার কাছাকাছি রয়েছে। কিন্তু নতুন মূল্যস্ফীতির তথ্য আবারো উদ্বেগ তৈরি করছে। হয়তো কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবারো সুদহার বাড়াতে পারে।
লন্ডনভিত্তিক ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ লিয়াম পিচ বলেন, ‘প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী মূল্যস্ফীতি আমাদের উদ্বেগকে আরো বাড়িয়েছে। প্রকৃত মূল্যস্ফীতির চাপ ক্রমাগত বেড়েই চলছে। এটি যদি অব্যাহত থাকে, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পুনরায় কঠোর নীতি অবলম্বন করতে হবে।’
কিছু বিশ্লেষক এর আগে পূর্বাভাস করেছিলেন চলতি বছরের শেষ নাগাদ মূল্যস্ফীতি প্রায় ৩৫ শতাংশের কাছাকাছি নেমে আসবে। তবে ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের মতে, সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য দেখাচ্ছে মূল্যস্ফীতির চাপ এখনো বেশি।
তুরস্কের অর্থমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, সুদহার বৃদ্ধির বিলম্বিত প্রভাবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে তুরস্কে উচ্চ মূল্যস্ফীতি অব্যাহত থাকবে। তবে তিনি আশাবাদী চলতি বছরেই মূল্যস্ফীতি চাপ কমে আসতে শুরু করবে।










