সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে অপরিশোধিত চিনি বাজার। আইসিই ফিউচারসে সোমবার ভোগ্যপণ্যটির দাম বেড়ে এক মাসের সর্বোচ্চে উঠে আসে। পাশাপাশি সেখানে অ্যারাবিকা কফি ও কোকোর মূল্যও বেড়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈরী আবহাওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চিনির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ব্রাজিল, ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও থাইল্যান্ডসহ শীর্স উৎপাদক দেশগুলোয় এল নিনোর প্রভাবে খরা ও শুষ্ক আবহাওয়া দেখা দিয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা চিনির সম্ভাব্য সরবরাহ সংকেটর আশঙ্কা করছে।
আইসিই ফিউচারসে সোমবার অক্টোবরে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি পাউন্ড চিনির দাম দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ২৫ দশমিক ১৫ সেন্টে উন্নীত হয়েছে, যা ২২ জুনের পর সর্বোচ্চ। ওই সময় প্রতি পাউন্ডের দাম উঠেছিল ২৫ দশমিক ১৬ সেন্টে। অন্যদিকে অক্টোবরে সরবরাহ চুক্তিতে সাদা চিনির দাম দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৭০৩ ডলারে।
ডিলাররা বলছেন, বর্তমানে চিনি সরবরাহ সংকুচিত হয়ে উঠছে। ভারতে বর্ষা মোসুমে উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় এরই মধ্যে ব্রাজিলে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। তীব্র দাবদাহ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে দক্ষিণ ইউরোপের দেশগুলোর উৎপাদনও।










