চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) যুক্তরাজ্যে ভিয়েতনামের কফি রফতানি কমেছে। ভোক্তাদের পছন্দ ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে না পারায় রফতানিতে এমন মন্দা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি কভিড-১৯ মহামারীর চতুর্থ ঢেউ দেশটির কফি রফতানি খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। খবর ভিএন এক্সপ্রেস ইন্টারন্যাশনাল।

ভিয়েতনাম বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ কফি উৎপাদক। দেশটি বছরের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাজ্যে ১৬ হাজার ৪০০ টন কফি রফতানি করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এদিকে মূল্যমানের দিক থেকে রফতানি কমেছে ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ। এ সময় যুক্তরাজ্যের কফি বাজারে ভিয়েতনামের হিস্যা কমে ২৭ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে ১৬ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমে যায়। জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত ভিয়েতনাম ও হন্ডুরাস ছাড়া সব সরবরাহকারী দেশ থেকেই কফি আমদানি বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্য।

ব্রিটিশরা প্রধানত ইন্সট্যান্ট কফি ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু ভিয়েতনাম যুক্তরাজ্যে অপরিশোধিত ও স্বল্প প্রক্রিয়াজাত কফি রফতানি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের ভোক্তাদের চাহিদা ও অন্যান্য শর্ত মাথায় রেখে ভিয়েতনামকে রফতানি বৃদ্ধিতে জোর প্রচেষ্টা চালানো উচিত।